ঢাকার যে ছাদবাগানে ড্রাগন ফলে মণকে মণ
ছাদের মাঝখানটা নিজেদের ব্যবহারের জন্য রেখে চারপাশ ঘিরে গড়েছেন লম্বাটে স্থায়ী সবজির বেড। সেই বেড থেকে লতানো সবজির জন্য সিঁড়িঘরের ছাদ পর্যন্ত উঠে গেছে মাচা।
আর সেই মাচা থেকেই ঝুলে থাকে ধুন্দুল, চিচিঙ্গা, উচ্ছে, করলা, শসা, চালকুমড়া, আঙুর, প্যাশন ফ্রুটসহ নানা লতানো সবজি। শীতে যোগ হয় লাউ, মিষ্টিকুমড়া, বরবটির মতো লতানো সবজি। একেক মৌসুমে একেক সবজি। ফলন শেষে কেটে দিলেই রোদে লতা শুকিয়ে যায়। তখন লতা টেনে নিচে নামিয়ে নিলেই আবার নতুন কোনো লতানো সবজির জন্য প্রস্তুত মাচা।
সামনে মাচার একটা অংশ শুধুই আঙুর ফলের জন্য ছেড়ে দেবেন। ১০ থেকে ১২ রকমের আঙুরের চারা এরই মাঝে সংগ্রহ শেষ। মাচা থেকে ঝুলবে থোকা থোকা আঙুর। নিচে দোলনায় দোল খেতে খেতে কিংবা টেবিল পেতে খাবার খেতে খেতে সেই দৃশ্য উপভোগ করা যাবে। আবার পাকা আঙুরের স্বাদও নেওয়া যাবে।